চতুর্থ শ্রেণীর আমাদের পরিবেশ: WBBPE Class 4 Environmental Science Chapter 6 Question Answer – কত কি মিশে আছে, Part 6

Our WhatsApp Group Join Now

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চতুর্থ শ্রেণীর পরিবেশ বইয়ের ‘কত কি মিশে আছে’ অধ্যায়ের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সমাধান পান এখানে। এই WBBPE Class 4 Environmental Science Chapter 6 Question Answer তালিকাটি ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহজ ভাষায় তৈরি করা হয়েছে।

WBBPE Class 4 Environmental Science
WBBPE Class 4 Environmental Science

কত কি মিশে আছে: প্রশ্ন ও উত্তর

​ছোট্ট বন্ধুরা, আমাদের চারপাশে এমন অনেক জিনিস আছে যা একে অপরের সাথে মিশে থাকে। আজকের পোস্টে আমরা শিখবো কীভাবে সেই মিশ্রণ থেকে উপাদানগুলোকে আলাদা করা যায়।

​🔴 ১. মিশ্রণ থেকে উপাদানগুলি আলাদা করার কয়েকটি পদ্ধতির নাম লেখ।

উত্তর: মিশ্রণ থেকে উপাদান আলাদা করার সহজ কয়েকটি পদ্ধতি হলো— থিতানো, ছাঁকন, ঝাড়াই বা বাছাই এবং কেলাসন।

​🟠 ২. চাল থেকে ধানের খোসা কীভাবে আলাদা করা যায়?

উত্তর: চাল আর ধানের খোসা আলাদা করতে আমরা ‘ঝাড়াই’ পদ্ধতি ব্যবহার করি। সাধারণত কুলা দিয়ে ঝেড়ে হালকা খোসা বা তুষকে বাতাসের সাহায্যে উড়িয়ে আলাদা করা হয়।

​🟡 ৩. বালি এবং জলের মিশ্রণ থেকে কীভাবে দুটিকে আলাদা করবে?

উত্তর: বালি ও জলের মিশ্রণকে কিছুক্ষণ গ্লাসে স্থিরভাবে রেখে দিলে বালি নিচে জমে যাবে। এই পদ্ধতিকে বলে থিতানো। এরপর ওপরের পরিষ্কার জল সাবধানে অন্য পাত্রে ঢেলে নিলেই বালি ও জল আলাদা হয়ে যাবে।

​🟢 ৪. অনেক নদী ধীরে ধীরে বুজে যায় কেন?

উত্তর: নদীর স্রোত কমে গেলে নদীর জল থেকে বালি, কাদা ও পলি নদীর তলায় থিতিয়ে পড়ে জমতে থাকে। বছরের পর বছর ধরে এই পলি জমার ফলেই নদী ক্রমশ ভরাট হয়ে বা বুজে যায়।

​🔵 ৫. নুন-জলের মিশ্রণ থেকে কীভাবে নুনকে আলাদা করবে? এই পদ্ধতির নাম কী?

উত্তর: নুন-জলের মিশ্রণকে একটি থালায় করে রোদে রেখে দিলে জল বাষ্প হয়ে উড়ে যাবে এবং নিচে নুন পড়ে থাকবে। এই পদ্ধতির নাম কেলাসন বা স্ফটিকীকরণ

​🟣 ৬. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে লবণ কর না দেওয়ার ডাক দিয়েছিলেন কে?

উত্তর: ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে লবণ কর না দেওয়ার ডাক দিয়েছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা মহাত্মা গান্ধী। তিনি বিখ্যাত ‘ডান্ডি অভিযান’ করেছিলেন।

​🟤 ৭. সমুদ্রের জলে ভেজা কালো প্যান্ট না কেঁচে রোদে দিলে কী হবে?

উত্তর: সমুদ্রের জলে প্রচুর নুন থাকে। তাই সেই জলে ভেজা প্যান্ট রোদে দিলে জল শুকিয়ে যাবে ঠিকই, কিন্তু শুকানোর পর প্যান্টের গায়ে সাদা সাদা নুনের দাগ বা ছোপ দেখা যাবে।

​⚪ ৮. লোহার গুঁড়ো এবং বালির মিশ্রণ আলাদা করবে কীভাবে?

উত্তর: একটি চুম্বকের সাহায্যে খুব সহজে এই মিশ্রণ আলাদা করা যায়। মিশ্রণের ওপর চুম্বকটি ঘোরালে সব লোহার গুঁড়ো চুম্বকে আটকে যাবে এবং বালি নিচে পড়ে থাকবে।

​🔘 ৯. সমুদ্রের জল থেকে নুন কীভাবে তৈরি করা হয়?

উত্তর: সমুদ্রের ধারেই ছোট ছোট জমি বা গর্ত তৈরি করে সেখানে সমুদ্রের জল আটকে রাখা হয়। সূর্যের তাপে সেই জল বাষ্প হয়ে উড়ে যায় এবং নিচে নুন পড়ে থাকবে। এভাবেই বড় বড় নুন তৈরির কারখানায় নুন উৎপাদন করা হয়।

Leave a Comment