WBBPE Class 4 Environmental Science Chapter Wise Question Answer: আমাদের শরীর ও পরিবেশের সহজ পাঠ, Part 10

Our WhatsApp Group Join Now

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চতুর্থ শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান বইয়ের ‘আমাদের শরীর’ ও ‘পরিবেশ’ অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর। WBBPE Class 4 Environmental Science Chapter Wise Question Answer-এর এই ব্লগে আমরা জানবো গাছের খাবার তৈরি, ফুসফুসের কাজ এবং শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কে সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত তথ্য।

WBBPE Class 4 Environmental Science Chapter Wise Question Answer
WBBPE Class 4 Environmental Science Chapter Wise Question Answer

​চলো বন্ধুরা, আজ আমরা আমাদের শরীর আর চারপাশের প্রকৃতি নিয়ে কিছু মজার এবং দরকারী প্রশ্নের উত্তর জেনে নিই। চলো শুরু করা যাক!

​🟢 ১. গাছেদের খাবার তৈরি করতে কী কী উপাদান প্রয়োজন হয়?

উত্তর: গাছ নিজের খাবার নিজেই তৈরি করতে পারে। এর জন্য চারটে জিনিস খুব দরকার— সূর্যের আলো, বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস, মাটির জল আর পাতার সবুজ কণা বা ক্লোরোফিল।

​🔵 ২. গাছেরা কোথায় খাবার তৈরি করে?

উত্তর: গাছের সবুজ অংশই হলো তাদের রান্নার জায়গা। তাই অনেক সময় পাতাকে গাছের ‘রান্নাঘর’ বলা হয়।

​🟡 ৩. সালোকসংশ্লেষ কাকে বলে?

উত্তর: সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে সবুজ পাতায় জল আর কার্বন ডাই-অক্সাইড কাজে লাগিয়ে গাছের খাবার তৈরির পদ্ধতিকেই বিজ্ঞানের ভাষায় ‘সালোকসংশ্লেষ’ বলে।

🟠 ৪. গাছেরা খাবার তৈরির সময় বাতাস থেকে কোন গ্যাস শোষণ করে এবং বাতাসে কোন গ্যাস পরিত্যাগ করে?

উত্তর: খাবার তৈরির সময় গাছ বাতাস থেকে বিষাক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয় এবং আমাদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য অক্সিজেন গ্যাস ছেড়ে দেয়।

​🔴 ৫. গাছেরা যখন খাবার ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে তখন কোন গ্যাস গ্রহণ করে?

উত্তর: আমাদের মতো গাছদেরও বেঁচে থাকার জন্য শক্তির দরকার। সেই শক্তি তৈরির সময় গাছ বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্যাস গ্রহণ করে।

​🟣 ৬. অনেক রাতে গাছের তলায় ঘুমানো উচিত নয় কেন?

উত্তর: রাতে সূর্যের আলো থাকে না বলে গাছ খাবার তৈরি করতে পারে না, কিন্তু খাবার ভেঙ্গে শক্তি উৎপন্ন করার জন্য শ্বাস নেয়। তখন গাছ প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়ে। তাই গাছের তলায় কার্বন ডাই-অক্সাইড বেড়ে যাওয়ায় আমাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। তাই রাত্রে গাছে তুলে ঘুমানো উচিত নয়।

​🟢 ৭. আমরা কীভাবে খাবার থেকে শক্তি পাই?

উত্তর: আমরা যে খাবার খাই, তা পেটে গিয়ে হজম হয়। এরপর অক্সিজেন এবং জলের সাহায্যে সেই খাবার ভেঙে উৎপন্ন হয় শক্তি, আর তা থেকেই আমরা কাজ করার শক্তি পাই।

​🔵 ৮. প্রশ্বাস কাকে বলে?

উত্তর: নাক দিয়ে আমরা যে বাতাস শরীরের ভেতরে টেনে নিই, তাকেই বলে প্রশ্বাস

​🟡 ৯. নিঃশ্বাস কাকে বলে?

উত্তর: শরীরের ভেতর থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড মেশানো বাতাস যখন আমরা নাক দিয়ে বাইরে বের করে দিই, তাকে বলে নিঃশ্বাস

​🟠 ১০. আমাদের শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগের পথটি চিহ্ন দিয়ে দেখাও:

উত্তর: নাক ➡️ শ্বাসনালী ➡️ ফুসফুস (শ্বাস গ্রহণ)

আবার, ফুসফুস ➡️ শ্বাসনালী ➡️ নাক (শ্বাস ত্যাগ)

​🔴 ১১. ফুসফুসে বাতাস পৌঁছানোর পর কী হয়?

উত্তর: ফুসফুসের ভেতরে থাকা ছোট ছোট বায়ুথলিগুলো বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্যাসকে টেনে নিয়ে সরাসরি রক্তে মিশিয়ে দেয়। এই অক্সিজেনই পরে খাবার থেকে শক্তি বের করতে সাহায্য করে।

​🟣 ১২. আমরা অনেক সময় জোরে জোরে শ্বাস গ্রহণ করি কেন?

উত্তর: খুব ছুটোছুটি বা ভারী কাজ করলে শরীরের বেশি শক্তির দরকার হয়। আর বেশি শক্তি মানেই বেশি অক্সিজেন। তাই সেই অক্সিজেন তাড়াতাড়ি শরীরে নিতে আমরা জোরে জোরে শ্বাস নিই।

​🟢 ১৩. একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ প্রতি মিনিটে কতবার শ্বাস গ্রহণ করে?

উত্তর: একজন সুস্থ বড় মানুষ সাধারণ অবস্থায় মিনিটে প্রায় ১২ থেকে ১৮ বার শ্বাস-প্রশ্বাস চালায়। তবে ছোটদের ক্ষেত্রে এই হার একটু বেশি হয়।

​🔵 ১৪. মানুষের কয়টি ফুসফুস আছে?

উত্তর: আমাদের বুকের খাঁচার ভেতর মোট দুটি ফুসফুস আছে।

​🟡 ১৫. কোন কোন জিনিস ফুসফুসের ক্ষতি করতে পারে?

উত্তর: কলকারখানা ও গাড়ির কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি এবং সিগারেটের ধোঁয়া আমাদের ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে।

​🟠 ১৬. ফুসফুসের কাজ করার ক্ষমতা কমে গেলে কী সমস্যা হতে পারে?

উত্তর: ফুসফুস দুর্বল হয়ে গেলে আমাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হবে, আমরা খুব তাড়াতাড়ি হাঁফিয়ে পড়বো এবং শরীরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেবে।

​🔴 ১৭. ফুসফুস ভালো রাখার কয়েকটি উপায় বলো।

উত্তর: ১. ধুলো-ধোঁয়া থেকে দূরে থাকা (প্রয়োজনে মাস্ক পরা)।

২. নিয়মিত খোলা বাতাসে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা।

৩. প্রচুর গাছ লাগানো।

​🟣 ১৮. উঁচু পাহাড়ে উঠলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় কেন? এমন হলে কী করা উচিত?

উত্তর: পাহাড় যত উঁচু হয়, সেখানে বাতাসের অক্সিজেনের পরিমাণ তত কমে যায়। তাই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন হলে নাকে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো দরকার এবং নড়াচড়া কমিয়ে বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

​🟢 ১৯. বাতাসের কতগুলি অবাঞ্ছিত উপাদানের নাম লেখো।

উত্তর: ধুলিকণা, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড এবং বিষাক্ত কালো ধোঁয়া।

​🔵 ২০. বাতাসে কোন কোন গ্যাস আছে?

উত্তর:

  • নাইট্রোজেন: প্রায় ৭৮%
  • অক্সিজেন: প্রায় ২১%
  • কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩%
  • এছাড়াও আছে জলীয় বাষ্প নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং অন্যান্য গ্যাস

​🟡 ২১. নির্মল বায়ু এবং দূষিত বায়ুর দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর: নির্মল বায়ু স্বাস্থ্যকর এবং এতে অক্সিজেন সঠিক মাত্রায় থাকে। অন্যদিকে, দূষিত বায়ুতে ধুলো-ধোঁয়া বেশি থাকে যা আমাদের ফুসফুসের অসুখ তৈরি করে।

Leave a Comment