চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ‘আমাদের পরিবেশ’ বিষয়ের সেরা সাজেশন। পরীক্ষায় ১০০% কমন পেতে শূন্যস্থান, সঠিক উত্তর ও ছোট প্রশ্নের এই নতুন পর্বটি আজই অনুশীলন করো।
আসন্ন চতুর্থ শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা (Primary Britti Exam) এবং স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আমরা নিয়ে এসেছি ‘আমাদের পরিবেশ’ (Amader Paribesh) সাজেশনের চতুর্থ পর্ব। আগের পর্বগুলোতে আমরা বড়ো প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকের পর্বে আমরা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলো নিয়ে আলোচনা করব।
Class 4 Britti Exam Paribesh Suggestion Part 4
এই পর্বে শূন্যস্থান পূরণ করো, সঠিক উত্তরটি বেছে লেখো, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর এবং ভুল সংশোধন করো— এই চারটি বিভাগে ভাগ করে প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর দেওয়া হয়েছে। আমাদের তৈরি এই ‘Class 4 Britti Exam Paribesh Suggestion Part 4’ -এর প্রতিটি উত্তর অত্যন্ত সহজ ও নির্ভুল, যা পড়লে ছোটরা খুব সহজেই মনে রাখতে পারবে। পরীক্ষায় পুরো নম্বর পেতে এই ছোট প্রশ্নগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি।
চলো, পরিবেশবিদ্যার এই নতুন পর্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরগুলো মন দিয়ে পড়ে নেওয়া যাক!
প্রাথমিক শেষ পরীক্ষা (বৃত্তি পরীক্ষা) – আমাদের পরিবেশ
❖ শূন্যস্থান পূরণ করো
১. শীতকালে ভিজে জামাকাপড় তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
২. রেড পান্ডা দার্জিলিং জেলায় দেখতে পাওয়া যায়।
৩. সকালবেলা ছায়া পড়ে পশ্চিম দিকে।
৪. গরমকালে বিকেলে খেলার জন্য বেশি সময় পাওয়া যায়।
৫. সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ হলো বৃহস্পতি।
৬. মহাকাশে পাঠানো প্রথম প্রাণী হলো লাইকা নামের একটি কুকুর।
৭. চকমকি পাথর ঠোকাঠুকি করে আদিম মানুষ আগুন জ্বালাত।
৮. যন্ত্রপাতিকে ইংরেজিতে টুল (Tool) বলে।
৯. মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু হলো তামা।
১০. মানুষ প্রথমে কাঠ দিয়ে চাকা বানাত।
১১. প্রবাল প্রাচীর দেখা যায় সমুদ্রের নীচে।
১২. খাসিয়াদের সমাজে আজও মা পরিবারের প্রধান।
১৩. যারা লোহার জিনিস তৈরি করে, তাদের কর্মকার বলে।
১৪. নদিয়ার কৃষ্ণনগর মাটির পুতুলের জন্য বিখ্যাত।
১৫. পৃথিবী নিজের চারপাশে পাক খায়, তাই দিন ও রাত হয়।
১৬. তুলসী একটি ভেষজ উদ্ভিদ।
১৭. পিনটেল এক ধরনের পাখি।
১৮. টয়ট্রেন দেখা যায় দার্জিলিংয়ে।
১৯. রবীন্দ্র সেতু হুগলি নদীর ওপর অবস্থিত।
২০. চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
২১. একশৃঙ্গ গণ্ডার পাওয়া যায় জলদাপাড়ায়।
২২. মানুষ প্রথম পোষ মানিয়েছিল কুকুর নামক পশুকে।
২৩. সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ।
২৪. বিষ্ণুপুরে পোড়ামাটির মন্দির আছে।
২৫. মাংসাশী প্রাণীদের প্রধান খাদ্য মাংস।
২৬. দুপুর বারোটায় ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোটো হয়।
২৭. জলের আর এক নাম জীবন।
২৮. চাঁদে প্রথম পা দেন নীল আর্মস্ট্রং।
২৯. মুগা রেশম মথ পাওয়া যায় ভারতের আসামে।
৩০. ডোকরার পুতুল পিতল, মোম ও ধুনো এবং মাটি দিয়ে তৈরি করা হয়।
৩১. উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয় পাতাকে।
৩২. তরল পদার্থের নিজস্ব কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই।
৩৩. মানব শরীরের সব থেকে কঠিন অংশ হলো দাঁত।
৩৪. রোগ সারাতে পারে এমন উদ্ভিদকে ভেষজ উদ্ভিদ বলে।
৩৫. যেকোনো কাজ করবার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়।
৩৬. প্রশ্বাসের পথ হলো: নাক → শ্বাসনালি → ফুসফুস।
৩৭. সাঁতার কাটার সুবিধার জন্য হাঁসের পায়ের আঙুলগুলো জোড়া থাকে।
৩৮. কাঁটা আছে এমন একটি গাছ হলো ফণীমনসা।
৩৯. নর্দমায় জীবাণুনাশক হিসেবে যে পাউডার ছড়ানো হয় তার নাম ব্লিচিং পাউডার।
৪০. বন্যার পরে জমির ওপর যে মাটি থিতিয়ে পড়ে তাকে বলা হয় পলিমাটি।
❖ সঠিক উত্তরটি বেছে লেখো
১. গম্ভীরা পালা দেখা যায়-
উ: মালদায়
২. টুসু পরব হয়-
উ: পৌষ মাসে
৩. শোলার কাজ যারা করেন তাদের বলা হয়-
উ: মালাকার
৪. অল্প সময়ে বেশি জমি চাষ করা যায়-
উ: ট্রাক্টর দিয়ে
৫. রোগ হলে আমরা যাই-
উ: ডাক্তারের কাছে
৬. ইনস্যাট (INSAT) হলো একটি-
উ: কৃত্রিম উপগ্রহ
৭. জলদাপাড়া জঙ্গলের মধ্য দিয়ে বইছে-
উ: হলং নদী
৮. ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোটো হয়-
উ: দুপুর বেলায়
৯. মাটি পোড়ালে তা-
উ: শক্ত হয়
১০. টোটো এক প্রকার-
উ: উপজাতি
১১. ভাদু পুজো হয়-
উ: ভাদ্র মাসে
১২. পশ্চিমবঙ্গে কয়লাখনি আছে-
উ: রানিগঞ্জে
১৩. হাতপাখা তৈরি হয়-
উ: তাল পাতা দিয়ে
১৪. আর্যভট্ট ছিলেন-
উ: ভারত দেশের বিজ্ঞানী
১৫. স্কোয়াশের চাষ ভালো হয়-
উ: পাহাড়ে
১৬. ধ্রুবতারা দেখা যায় আকাশের-
উ: উত্তরে
১৭. কাঠের চাকাকে মজবুত করার জন্য দেওয়া হয়-
উ: লোহার বেড
১৮. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও আবিষ্কার করেন-
উ: দূরবিন
১৯. যে তারাকে স্থির দেখা যায়, তা হলো-
উ: ধ্রুবতারা
২০. আদিম মানুষেরা ছবি আঁকত-
উ: গুহার দেওয়ালে
২১. মাটি দিয়ে নানা জিনিসের পুতুল তৈরি করে-
উ: পটুয়ারা
২২. তামা ও ব্রোঞ্জের তৈরি মূর্তি ও গয়না পাওয়া গেছে-
উ: হরপ্পায়
২৩. পৌষমেলা অনুষ্ঠিত হয়-
উ: শান্তিনিকেতনে
২৪. প্রথমে শিশুদের যে দাঁতগুলো ওঠে সেগুলোকে বলে-
উ: দুধের দাঁত
❖ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
১. ব্যাঙেদের প্রধান খাবার কী?
ব্যাঙেদের প্রধান খাবার হলো বিভিন্ন জীবন্ত পোকামাকড়।
২. কোন গাছে কোনোদিন জল দিতে হয় না?
ফণীমনসা গাছে কোনোদিন জল দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, কারণ এরা রুক্ষ ও শুষ্ক পরিবেশে নিজেদের দেহে জল জমিয়ে রেখে অনায়াসেই বেঁচে থাকতে পারে।
৩. সিঙ্কোনা গাছের কোন অংশ রোগ সারাতে ব্যবহার করা হয়?
সিঙ্কোনা গাছের ছাল ম্যালেরিয়া রোগ সারাতে (কুইনাইন নামক ওষুধ তৈরিতে) ব্যবহার করা হয়।
EduBangla একটি নির্ভরযোগ্য ও সম্পূর্ণ ফ্রি অনলাইন শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম। এখানে স্কুলের পড়াশোনা থেকে শুরু করে সরকারি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পাঠ্যসামগ্রী পাওয়া যায়। জিকে, জিআই, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর কুইজ, প্রশ্নোত্তর এবং প্র্যাকটিস সেট সাজানো হয়েছে অত্যন্ত সহজ ভাষায়। পাশাপাশি, প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য রয়েছে মোবাইল ও ট্যাব-ফ্রেন্ডলি বিশেষ আকর্ষণীয় কনটেন্ট, যা তাদের শেখাকে করবে আরও আনন্দদায়ক।