রাজ্য সরকারি কর্মী ও শিক্ষকদের জন্য বিরাট সুখবর: 7th Pay Commission Pay Matrix এবং নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত আপডেট

পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম পে কমিশন কবে থেকে চালু হবে? 7th pay commission fitment factor এবং সপ্তম পে কমিশন কি, তা নিয়ে অর্থ দপ্তরের নতুন নির্দেশিকা জানুন। 7th pay commission সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, সপ্তম পে কমিশন রিপোর্ট ও নতুন 7th pay commission pay matrix নিয়ে আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।

7th Pay Commission Pay Matrix
7th Pay Commission Pay Matrix

​অর্থ দপ্তরের নতুন বিজ্ঞপ্তি: পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম পে কমিশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

​দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং বহু জল্পনার পর অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন বা 7th pay commission নিয়ে বড়সড় এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। এতদিন ধরে রাজ্য সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষক মহলে যে আশা ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এবার বাস্তবে রূপ পেতে চলেছে। অনেকেই জানতে চান what is 7th pay commission এবং এর ফলে তাঁদের বেতনে কতটা পরিবর্তন আসবে। সহজ কথায়, সপ্তম পে কমিশন কি তা বুঝতে হলে জানতে হবে যে এটি হলো মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো নতুন করে নির্ধারণ করার একটি প্রক্রিয়া। সম্প্রতি রাজ্যের অর্থ দপ্তর থেকে একটি নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে শিক্ষা পর্ষদ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কর্মীদেরও এই পে কমিশনের পর্যালোচনার আওতায় আনা হলো। আগামী দিনে সপ্তম পে কমিশন রিপোর্ট জমা পড়লেই স্পষ্ট হবে যে সপ্তম পে কমিশন কবে থেকে চালু হবে। চলুন আজকের এই বিস্তারিত প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখা যাক।

​পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম পে কমিশন – বর্তমান পরিস্থিতি ও ৫ নভেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তি

​গত ৫ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তর একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তির মেমো নম্বর হলো 4078-F(P1)। এই বিজ্ঞপ্তির মূল বিষয়বস্তু হলো রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট পর্ষদগুলোর নিয়মিত কর্মচারীদের 7th pay commission-এর পর্যালোচনার আওতায় নিয়ে আসা।

​এর আগে গত ২২ জুলাই, ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের বিজ্ঞপ্তি (Resolution 2657-F(P1)) প্রকাশ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২৯ জুলাইয়ের আরেকটি বিজ্ঞপ্তির (Resolution 2760-F(P1)) মাধ্যমে কমিশনের কাজ আরও একধাপ এগিয়ে যায়। কিন্তু তখনো পর্যন্ত সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা পর্ষদগুলির কর্মীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কতটা প্রযোজ্য হবে, তা নিয়ে সংশয় ছিল। ৫ নভেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে সেই সংশয় দূর করে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এবার থেকে রাজ্যের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কর্মীদের বর্তমান বেতন কাঠামো এবং চাকরির শর্তাবলীও এই পে কমিশনের পর্যালোচনার অংশ হবে।

​কাদের আনা হলো নতুন পে কমিশনের আওতায়?

​অর্থ দপ্তরের এই নির্দেশিকায় মূলত শিক্ষা জগতের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন:

  • ​রাজ্য সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষাকর্মী: রাজ্যের সাহায্যপ্রাপ্ত মোট ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অশিক্ষক বা নন-টিচিং (Non-teaching) কর্মীদের বর্তমান বেতন কাঠামো পর্যালোচনা করবে কমিশন।
  • ​পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE): এই পর্ষদের অধীনে থাকা নিয়মিত কর্মচারীরা এর সুবিধা পাবেন।
  • ​পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE): উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিয়মিত কর্মচারীদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
  • ​পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ (WBBME): রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের নিয়মিত কর্মচারীদের বেতন কাঠামোও নতুন পে কমিশনের মাধ্যমে সংশোধিত হবে।

​এই ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাকাউট (MAKAUT), প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য রাজ্য সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নাম রয়েছে।

​👉 আরো জানুনঃ রাজ্যের সপ্তম বেতন কমিশন: ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩.৮৩ হলে কতটা বাড়বে বেতন? জানুন বিস্তারিত: WB 7th Pay Commission Latest News

​সপ্তম পে কমিশন কি (what is 7th pay commission)?

​অনেকের মনেই এই মৌলিক প্রশ্নটি রয়েছে যে, সপ্তম পে কমিশন কি এবং এর কাজ ঠিক কী? সহজ ভাষায়, পে কমিশন বা বেতন কমিশন হলো এমন একটি প্রশাসনিক কমিটি, যা সরকার কর্তৃক গঠিত হয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের বেতন কাঠামো, ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধাগুলি পর্যালোচনা এবং পুনর্গঠন করার জন্য। মুদ্রাস্ফীতি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মীদের বেতন যাতে সময়োপযোগী থাকে, তা নিশ্চিত করাই পে কমিশনের মূল উদ্দেশ্য।

​কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৪ সালে সপ্তম পে কমিশন গঠন করেছিল যা ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর এবার পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম পে কমিশন গঠিত হয়েছে, যার মূল কাজ হলো রাজ্য সরকারি কর্মীদের বর্তমান বেতন পরিকাঠামো (যা ষষ্ঠ পে কমিশন বা ROPA 2019 অনুযায়ী চলছে) খতিয়ে দেখে নতুন বেতন কাঠামো প্রস্তাব করা।

​7th pay commission fitment factor কীভাবে কাজ করে?

​বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দটি হলো 7th pay commission fitment factor। এটি হলো এমন একটি গাণিতিক গুণাঙ্ক বা মাল্টিপ্লায়ার, যার সাহায্যে একজন কর্মীর বর্তমান মূল বেতনকে (Basic Pay) গুণ করে নতুন বেতন কাঠামোয় তাঁর পরিবর্তিত মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়।

​কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রে এই ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ছিল ২.৫৭। অর্থাৎ, কারও বেসিক পে যদি ১০০ টাকা থাকে, তবে নতুন পে কমিশনে তা এক লাফে ২৫৭ টাকা হয়ে যায়। রাজ্য সরকারের ক্ষেত্রে এই ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কত হবে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য সরকার ২.০ থেকে ২.৫৭-এর মধ্যে কোনো একটি গুণাঙ্ক অনুমোদন করতে পারে।

​ধরা যাক, রাজ্য সরকার যদি ২.০ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর অনুমোদন করে, তাহলে হিসাবটি কেমন হবে:

  • ​বর্তমান বেসিক পে: ২৫,০০০ টাকা
  • ​ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর: ২.০
  • ​নতুন বেসিক পে: ২৫,০০০ x ২.০ = ৫০,০০০ টাকা!

​এই নতুন বেসিক পে-এর ওপরেই এরপর নতুন করে ডিএ (DA), বাড়ি ভাড়া ভাতা (HRA) এবং অন্যান্য সুবিধাগুলি হিসেব করা হবে। ফলে কর্মীদের হাতে পাওয়া চূড়ান্ত বেতন বা Gross Salary অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

​7th pay commission pay matrix বিস্তারিত

​আগেকার দিনে পে ব্যান্ড এবং গ্রেড পে-এর একটি জটিল হিসাব ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই জটিলতা দূর করে একটি সহজ টেবিল বা ম্যাট্রিক্স নিয়ে আসা হয়েছে। একেই বলা হয় 7th pay commission pay matrix। এই ম্যাট্রিক্সটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে প্রতিটি পদমর্যাদা (Level) এবং অভিজ্ঞতার (Index/Increment) ভিত্তিতে একজন কর্মীর বেতন কত হবে, তা সহজেই বের করা যায়।

​pay matrix 7th pay commission-এর কয়েকটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো:

১. লেভেল (Level): বিভিন্ন গ্রেড পে-কে নির্দিষ্ট লেভেলে ভাগ করা হয়েছে (যেমন লেভেল ১ থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের লেভেল)।

২. ইনডেক্স (Index): প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট হওয়ার পর বেসিক পে কত হবে, তা ম্যাট্রিক্সের নিচের দিকের সেলগুলিতে পরপর দেওয়া থাকে।

৩. স্বচ্ছতা: এই ম্যাট্রিক্সের ফলে একজন কর্মী তাঁর কর্মজীবনের শুরুতে এবং পরবর্তী ১০ বা ২০ বছরে ঠিক কত বেসিক পে পাবেন, তার একটি পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যান।

​নতুন পে কমিশন কার্যকর হলে বর্তমান ROPA 2019-এর পে ম্যাট্রিক্স সম্পূর্ণ বদলে যাবে এবং নতুন ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর অনুযায়ী একটি বর্ধিত অঙ্কের পে ম্যাট্রিক্স চার্ট প্রকাশ করা হবে।

​একটি কাল্পনিক নতুন পে ম্যাট্রিক্সের উদাহরণ (২.০ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ধরে):

বর্তমান লেভেল (Level)বর্তমান বেসিক পে (প্রাথমিক ধাপ)সম্ভাব্য নতুন বেসিক পে (২.০ ফ্যাক্টর)সম্ভাব্য নতুন বেসিক পে (২.৫ ফ্যাক্টর)
Level 1১৭,০০০ টাকা৩৪,০০০ টাকা৪২,৫০০ টাকা
Level 2১৭,৬০০ টাকা৩৫,২০০ টাকা৪৪,০০০ টাকা
Level 6২২,৭০০ টাকা৪৫,৪০০ টাকা৫৬,৭৫০ টাকা
Level 9২৮,৯০০ টাকা৫৭,৮০০ টাকা৭২,২৫০ টাকা
Level 10৩২,১০০ টাকা৬৪,২০০ টাকা৮০,২৫০ টাকা

(বি.দ্র: ওপরের ছকটি শুধুমাত্র ধারণার জন্য দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত পে ম্যাট্রিক্স রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।)

​👉 আরো জানুনঃ 7th Pay Commission State Government: বেতন বৃদ্ধি, DA ও স্যালারি ক্যালকুলেটর

​সপ্তম পে কমিশন রিপোর্ট কবে জমা পড়বে?

​যে কোনো পে কমিশন কার্যকর হওয়ার আগে একটি দীর্ঘ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া থাকে। এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হলো বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন, শিক্ষক সংগঠন এবং ব্যক্তিগত কর্মীদের কাছ থেকে স্মারকলিপি বা মেমোরেন্ডাম গ্রহণ করা। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত এই মেমোরেন্ডাম জমা নেওয়ার কাজ চলেছে।

​বর্তমানে কমিশন সেই সমস্ত দাবি-দাওয়া, বেতন বৈষম্যের অভিযোগ এবং বর্তমান বাজারদর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে। এই পর্যালোচনা শেষ হওয়ার পরই কমিশন রাজ্য সরকারের কাছে তাদের চূড়ান্ত সপ্তম পে কমিশন রিপোর্ট পেশ করবে। অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, দ্রুততার সঙ্গে বর্তমান বেতন কাঠামো ও চাকরির শর্তাবলী পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​সপ্তম পে কমিশন কবে থেকে চালু হবে?

​সমস্ত সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন, সপ্তম পে কমিশন কবে থেকে চালু হবে? অর্থ দপ্তরের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে এখনও পর্যন্ত নতুন বেতন কাঠামো বা তা কার্যকরের কোনো নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ করা হয়নি। তবে প্রশাসনিক মহল ও কর্মচারী সংগঠনগুলির আশা, যেহেতু কমিশন দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছে এবং সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে, তাই খুব শিগগিরই রিপোর্ট জমা পড়বে।

​সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আশা করা যাচ্ছে যে আগামী বছরের শুরুর দিকেই (জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ) রাজ্য সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সপ্তম পে কমিশন চালু করার ঘোষণা করতে পারে। নতুন বেতন কাঠামো চালু হলে পুরনো ডিএ বেসিক পে-এর সাথে মিশে যাবে এবং মহার্ঘ ভাতা শূন্য থেকে গণনা শুরু হবে। পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া ভাতা (HRA) এবং যাতায়াত ভাতা (Medical and Transport Allowance) অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

​পরিশেষে বলা যায়, রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য এই নতুন পে কমিশন আক্ষরিক অর্থেই এক বিরাট আর্থিক উন্নতির দরজা খুলে দিতে চলেছে। নতুন কোনো সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ পাওয়া মাত্রই আমরা আপনাদের কাছে তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরব। তাই রাজ্য সরকারের নতুন নিয়ম, পে ম্যাট্রিক্স আপডেট এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক খবরের জন্য নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত থাকুন।

📚 নিয়মিত এই ধরনের কুইজ এবং স্টাডি মেটেরিয়ালস পেতে আমাদের সাথে যুক্ত হোন 👇 Join Now

Bipasha Mukherjee

Hi, I'm Bipasha Mukherjee! I blend my analytical background in Mathematics with a deep passion for writing. In my free time, I love sharing insights on lifestyle and financial independence to help others build an empowered, balanced life.

Join Group