চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ‘আমাদের পরিবেশ’ বিষয়ের সেরা ৪০টি প্রশ্নোত্তর। পরীক্ষায় ১০০% কমন পেতে সহজ ভাষার এই Class 4 Britti Exam Paribesh Suggestion আজই পড়ুন।
আসন্ন চতুর্থ শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা (Class 4 Britti Pariksha) এবং স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার জন্য ‘আমাদের পরিবেশ’ (Amader Paribesh) বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়ে ভালো নম্বর তুলতে গেলে পাঠ্যবইয়ের খুঁটিনাটি অনেক তথ্য মনে রাখতে হয়, যা অনেক সময় ছোটদের কাছে কঠিন মনে হতে পারে।

ছাত্রছাত্রীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আজ আমরা বাছাই করা ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরের একটি সম্পূর্ণ সাজেশন নিয়ে এসেছি। আমাদের তৈরি করা এই ‘Class 4 Britti Exam Paribesh Suggestion’ -টি অত্যন্ত সহজ ও সরল ভাষায় লেখা হয়েছে, যাতে ছোটরা খুব সহজেই বুঝতে ও মুখস্থ করতে পারে। এখানে থাকা প্রতিটি প্রশ্ন বৃত্তি পরীক্ষার প্যাটার্ন ও বিগত বছরের প্রশ্নপত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
নিচের প্রশ্নগুলোতে ক্লিক করলেই তার উত্তর দেখা যাবে। চলো, পরীক্ষায় কমনযোগ্য এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরগুলো একবার ভালোভাবে পড়ে নেওয়া যাক!
চতুর্থ শ্রেণি বৃত্তি পরীক্ষা: আমাদের পরিবেশ
💡 নিচে প্রতিটি প্রশ্ন ও তার সম্পূর্ণ উত্তর দেওয়া হলো।
প্রধানত তিনটি কারণে বাঘ বিলুপ্ত হতে চলেছে: প্রথমত, মানুষ অনবরত বন-জঙ্গল কেটে ফেলছে, ফলে বাঘেদের স্বাভাবিক বাসস্থান কমে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, চোরাশিকারিরা চামড়া, নখ ও দাঁতের লোভে বেআইনিভাবে বাঘ শিকার করছে। তৃতীয়ত, জঙ্গলে বাঘের প্রধান খাবার যেমন— হরিণ, বুনো শুয়োর ইত্যাদি কমে যাচ্ছে।
প্রকৃতিতে যখন কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদের চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার বা বিলুপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তখন তাদের সুরক্ষিত রেখে টিকিয়ে রাখার জন্য যেসব বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তাকেই সংরক্ষণ বলে। উদাহরণস্বরূপ: বাঘ সংরক্ষণ বা গণ্ডার সংরক্ষণ প্রকল্প।
সংরক্ষণের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে: বন-জঙ্গল কাটা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে, চোরাশিকারিদের কঠোর হাতে দমন করতে হবে, জঙ্গলে প্রাণীদের পরিমিত খাবার ও পানীয় জলের অভাব যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে।
ডোডো পাখি দেখতে অনেকটা বড়সড় হাঁসের মতো ছিল। এরা মরিশাস দ্বীপে বাস করত। পরবর্তীকালে জাহাজে করে প্রচুর বিদেশি মানুষ ওই দ্বীপে আসে এবং তাদের সাথে কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর ও শুয়োর আসে। এরা ডোডো পাখিদের শিকার করতে শুরু করে। ডোডো পাখি উড়তে পারত না বলে সহজে পালাতে পারেনি, ফলে ধীরে ধীরে তারা পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যায়।
চোরাশিকারিরা প্রধানত বাঘের মূল্যবান চামড়া, হাড়, নখ এবং দাঁতের লোভে বাঘ শিকার করে। এই দেহাংশগুলির অবৈধ ব্যবসা করে তারা প্রচুর অর্থ উপার্জন করে।
পাখিদের শরীরের ভিতরে বিশেষ বায়ুথলি থাকে, যেখানে বাতাস ভরে তারা নিজেদের শরীরকে হালকা করে নিতে পারে। এছাড়া পাখিদের হাড় ফাঁপা এবং ডানা চালানোর পেশি অত্যন্ত শক্ত হয়। এই শারীরিক গঠনের জন্যই দীর্ঘক্ষণ উড়লেও পাখিরা ক্লান্ত হয় না।
কয়েকটি বিলুপ্ত প্রাণী হলো: মরিশাসের ডোডো পাখি, ভারতের গোলাপি মাথা হাঁস, নিউজিল্যান্ডের গ্রেলিং মাছ এবং হিমালয়ের বামন তিতির পাখি।
যেসব প্রাণী হারিয়ে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে আছে তাদের লুপ্তপ্রায় প্রাণী বলে। যেমন: বাঘ, একশৃঙ্গ গণ্ডার, ঘড়িয়াল এবং রেড পান্ডা।
প্রখর সূর্যের তাপে নদী, পুকুর ও সমুদ্রের জল বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে যায়। এই হালকা জলীয় বাষ্প বাতাসের ধূলিকণার সঙ্গে মিশে যায়। উপরে গিয়ে ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এলে তা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা বা বরফকণায় পরিণত হয়। এভাবেই ভাসমান মেঘের সৃষ্টি হয়।
সমুদ্রের জলে প্রচুর পরিমাণে লবণ দ্রবীভূত থাকে। প্যান্ট রোদে শুকোলে জল বাষ্প হয়ে উবে যায়, কিন্তু জলে মিশে থাকা লবণ প্যান্টের গায়ে আটকে থাকে। লবণের রং সাদা হওয়ায় কালো প্যান্টের ওপর সেই সাদা দাগ স্পষ্ট ফুটে ওঠে।
মিল: তরল ও গ্যাস— উভয়েরই নিজস্ব কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই এবং উভয়েই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বয়ে বা প্রবাহিত হতে পারে।
অমিল: তরল পদার্থকে খালি চোখে দেখা যায় এবং এর নির্দিষ্ট আয়তন আছে। কিন্তু গ্যাসীয় পদার্থকে সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না এবং এর কোনো নির্দিষ্ট আয়তন থাকে না।
বরফ অত্যন্ত ঠান্ডা হয়। বরফের চারপাশের বাতাসে থাকা জলীয় বাষ্প এই অতিরিক্ত ঠান্ডার সংস্পর্শে এসে জমে অতি ক্ষুদ্র জলকণায় পরিণত হয়। এই ভাসমান জলকণাগুলোর গায়ে আলো ঠিকরে পড়লে প্রতিফলনের কারণে তা আমাদের চোখে সাদা ধোঁয়ার মতো মনে হয়। আসলে এটি ধোঁয়া নয়, ক্ষুদ্র জলকণার কুয়াশা।
জোরে দৌড়ানোর সময় আমাদের শরীরের পেশিগুলোর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। এই বাড়তি শক্তি উৎপন্ন করতে প্রচুর অক্সিজেনের দরকার হয়। দ্রুত বেশি অক্সিজেন টেনে নেওয়ার জন্যই আমরা ঘন ঘন জোরে শ্বাস নিই, ফলে আমরা হাঁপিয়ে উঠি।
যে খাবারে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সবকটি পুষ্টি উপাদান— শর্করা, প্রোটিন, ফ্যাট বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং জল সঠিক মাত্রায় বজায় থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে। সুষম খাদ্য খেলে শরীরের শক্তির চাহিদা মেটে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
সুষম খাদ্যে মূলত চার প্রকার খাদ্য থাকে: ১) শর্করা জাতীয় (ভাত, রুটি, দানাশস্য), ২) প্রোটিন জাতীয় (মাছ, মাংস, ডিম, ডাল), ৩) স্নেহ বা চর্বি জাতীয় (তেল, ঘি, মাখন, বাদাম) এবং ৪) ভিটামিন ও খনিজ লবণ সমৃদ্ধ খাদ্য (শাকসবজি ও তাজা ফলমূল)।
ফুসফুস ভালো রাখতে হলে নিয়মিত মুক্ত বাতাসে শ্বাসের ব্যায়াম ও খেলাধুলা করতে হবে। ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্য থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতে হবে। ধুলো-ধোঁয়া মুক্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকতে হবে।
খাবার বা পানীয় গেলার সময় ভুলবশত যদি তা খাদ্যনালীর বদলে শ্বাসনালীতে ঢুকে যায়, তখন শ্বাসনালীর পথ সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। তখন শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষায় ওই খাবারের টুকরোকে শ্বাসনালী থেকে প্রবল বেগে বের করে দেওয়ার জন্য আমাদের বিষম লাগে এবং কাশি হয়।
যেসব জায়গায় বাতাসে প্রচুর ধুলো বা রাসায়নিক কণা ওড়ে, সেখানে কাজ করলে ফুসফুসের রোগ হয়। যেমন— কয়লাখনি, পাথর ভাঙার খাদান, সিমেন্ট কারখানা, রাসায়নিক কারখানা এবং ধুলোবালি যুক্ত রাস্তার কাজ। এইসব ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।
চোখ ভালো রাখতে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ খাবার প্রচুর পরিমাণে খাওয়া উচিত। যেমন— গাজর, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়ো এবং বিভিন্ন সবুজ শাকসবজি।
বস্তু: আমাদের চারপাশে আমরা যেসব জিনিস দেখি এবং ব্যবহার করি, তাদের বস্তু বলে。
পদার্থ: যে উপাদানে বস্তু তৈরি হয় এবং যার নিজস্ব ভর ও আয়তন আছে, তাকে পদার্থ বলে। যেমন— কাঠ হলো পদার্থ, কিন্তু কাঠের চেয়ার হলো বস্তু।
অবস্থা অনুযায়ী পদার্থ তিন প্রকার: কঠিন (ইট, কাঠ), তরল (জল, তেল) এবং গ্যাসীয় (বাতাস, ধোঁয়া)।
একটি গ্যাসে ভর্তি রান্নার সিলিন্ডার এবং একটি সম্পূর্ণ খালি সিলিন্ডারকে ওজন করলে দেখা যাবে, ভর্তি সিলিন্ডারটির ওজন অনেক বেশি। এই বাড়তি ওজনটি ভেতরে থাকা গ্যাসের জন্যই হয়েছে। এ থেকেই সহজে প্রমাণিত হয় যে গ্যাসের নির্দিষ্ট ভর আছে।
বাতাস কোনো একক উপাদান দিয়ে তৈরি নয়। বাতাসে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা এবং আরও অনেক নিষ্ক্রিয় গ্যাস একসঙ্গে মিশে থাকে। একাধিক উপাদানের এই মিশ্রণের জন্যই বাতাসকে মিশ্র পদার্থ বলা হয়।
দাঁত ভালো রাখতে দিনে অন্তত দুবার (সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে খাওয়ার পর) ব্রাশ করা উচিত। প্রতিবার কিছু খাওয়ার পর জল দিয়ে ভালো করে কুলকুচি করে মুখ ধোয়া প্রয়োজন। এছাড়া মাড়ি সুস্থ রাখতে ভিটামিন সি যুক্ত টক জাতীয় ফল, যেমন— আমলকী, লেবু ও পেয়ারা খাওয়া উচিত।
উঁচু পাহাড়ে যত ওপরে ওঠা যায়, বায়ুমণ্ডল তত পাতলা হতে থাকে। সেখানে বাতাসের পরিমাণ এবং অক্সিজেনের মাত্রা সমতলের তুলনায় অনেক কমে যায়। পাশাপাশি বায়ুর চাপও হ্রাস পায়। অক্সিজেনের এই অভাবের কারণেই উঁচু পাহাড়ে শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হয়।
পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর লাটিমের মতো পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ক্রমাগত ঘুরছে। এই আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে দিকটা সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়, সেখানে দিন হয়। আর যে দিকটা সূর্যের বিপরীত দিকে অর্থাৎ অন্ধকারে থাকে, সেখানে রাত হয়।
কৃত্রিম উপগ্রহ আমাদের বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা দেয়: আবহাওয়ার আগাম পূর্বাভাস জানা যায়, রেডিও-টিভি ও মোবাইল ফোনের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল থাকে, মহাকাশ থেকে পৃথিবীর নিখুঁত ছবি তোলা যায় এবং দেশের প্রতিরক্ষামূলক নজরদারিতে সাহায্য করে।
চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, এটি সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়। চাঁদ অবিরাম পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। এই পরিক্রমণের সময় পৃথিবী ও সূর্যের সাপেক্ষে চাঁদের অবস্থান প্রতিদিন বদলায়। ফলে চাঁদের যে আলোকিত অংশটুকু আমাদের চোখের সামনে আসে, আমরা শুধু সেটুকুই দেখতে পাই। তাই প্রতিদিন চাঁদের আকারের পরিবর্তন মনে হয়।
পূর্ণিমা: যে রাতে পৃথিবীর দিক থেকে চাঁদের আলোকিত গোলার্ধের পুরো অংশটাই স্পষ্টভাবে দেখা যায়, তাকে পূর্ণিমা বলে। তখন চাঁদকে রুপোলি থালার মতো গোল দেখায়。
অমাবস্যা: যে রাতে চাঁদের সম্পূর্ণ অন্ধকার দিকটি পৃথিবীর দিকে মুখ করে থাকে এবং আকাশে চাঁদকে একেবারেই দেখা যায় না, তাকে অমাবস্যা বলে।
গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছ থেকে আমরা শ্বাস নেওয়ার প্রাণদায়ী অক্সিজেন পাই। মানুষের সমস্ত খাবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে গাছ থেকেই আসে। বিভিন্ন ভেষজ গাছ থেকে জীবনদায়ী ওষুধ তৈরি হয়। এছাড়া বাড়িঘর ও আসবাবপত্র তৈরির কাঠ, জামাকাপড় তৈরির সুতো— সবই আমরা গাছ থেকে পাই।
লালারসের প্রধান কাজ হলো শুকনো খাবারকে ভিজিয়ে নরম করা এবং দলা পাকিয়ে দেওয়া, যাতে খাবার সহজে গলা দিয়ে নেমে খাদ্যনালীতে যেতে পারে। এছাড়া লালারসে থাকা উৎসেচক শর্করা জাতীয় খাবার হজম হতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে।
দাঁত পরিষ্কার ও সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত দাঁত মাজা অত্যন্ত জরুরি। দাঁত না মাজলে খাওয়ার পর দাঁতের ফাঁকে খাবারের ছোট ছোট কণা আটকে থাকে। ওই আটকে থাকা খাবার পচে গিয়ে মুখে ক্ষতিকর জীবাণুর সৃষ্টি হয়। এর ফলে মুখে দুর্গন্ধ হয়, দাঁতে পোকা লাগে এবং মাড়ির বিভিন্ন রোগ হয়ে দাঁত তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।
মানুষের মুখের ভেতরে কাজ অনুযায়ী প্রধানত চার রকমের দাঁত থাকে। এগুলো হলো— ১) কাটার দাঁত (যাতে খাবার টুকরো করা যায়), ২) ছেঁড়ার দাঁত (শক্ত জিনিস ছিঁড়তে সাহায্য করে), ৩) ভাঙার দাঁত এবং ৪) গুঁড়ো করার বা পেষক দাঁত (যাতে খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে পেস্ট করা যায়)।
হজম করা মানে হলো জটিল ও কঠিন খাবারকে পাকস্থলী ও অন্ত্রের মধ্যে ভেঙে খুব ছোট ছোট এবং সরল তরল কণায় পরিণত করা। এই সরল অংশগুলো রক্ত সহজে শুষে নিতে পারে এবং সারা শরীরে ছড়িয়ে দিয়ে শক্তির জোগান দিতে পারে।
ফুসফুস হলো মানুষের শ্বাসতন্ত্রের একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি আমাদের বুকের খাঁচার ভেতরে থাকে। এর সাহায্যেই আমরা শ্বাস-প্রশ্বাস চালাই— বাতাস থেকে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং শরীরের ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বাইরে ত্যাগ করি।
সবুজ গাছ ‘সালোকসংশ্লেষ’ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। গাছের শিকড় মাটি থেকে জল শোষণ করে পাতায় পাঠায়। পাতায় থাকা সবুজ কণিকা (ক্লোরোফিল) সূর্যের আলো গ্রহণ করে এবং বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নেয়। এই তিনটির সাহায্যে গাছ পাতায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে এবং বাতাসে অক্সিজেন গ্যাস ছাড়তে থাকে।
আমাদের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। খাদ্য আমাদের শরীরের দৈনন্দিন কাজকর্ম করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয়, শরীরের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি ঘটায় এবং নানা ধরনের রোগজীবাণুর আক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।
পূর্ণিমার রাতে চাঁদের গায়ে যে হালকা কালো কালো দাগ বা ছায়া দেখা যায়, সেগুলোকেই চাঁদের কলঙ্ক বলা হয়। আসলে চাঁদের মাটিতে প্রচুর বড়ো বড়ো গর্ত, খাদ ও বিশাল পাহাড় রয়েছে। পাহাড়ে বাধা পেয়ে সূর্যের আলো ওই গভীর গর্তগুলোতে ঠিকমতো পৌঁছাতে পারে না। ফলে পৃথিবী থেকে ওই অন্ধকার অংশগুলোকে কালো দাগের মতো দেখায়।
রাতের আকাশে উত্তর-পূর্ব দিকে তাকালে সাতটি উজ্জ্বল তারাকে একসঙ্গে একটি বিরাট প্রশ্নচিহ্নের (?) মতো সাজানো অবস্থায় দেখা যায়। এই তারামণ্ডলীকেই সপ্তর্ষিমণ্ডল বলে। ভারতের পৌরাণিক সাতজন ঋষির নাম অনুসারে এই সাতটি তারার নাম রাখা হয়েছে— ক্রতু, পুলহ, পুলস্ত্য, অত্রি, অঙ্গিরা, বশিষ্ঠ এবং মরীচি।
যেসব উদ্ভিদ বা উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ (পাতা, মূল, ছাল, ফল) মানুষের বিভিন্ন রোগ নিরাময় ও চিকিৎসার কাজে সরাসরি ব্যবহার করা হয়, তাদের ভেষজ উদ্ভিদ বলে। এই গাছগুলো থেকে নানা ধরনের জীবনদায়ী ওষুধ তৈরি হয়। উদাহরণ: তুলসী, নিম, বাসক, সিঙ্কোনা, অ্যালোভেরা ইত্যাদি।
মানুষের দৈনন্দিন কাজ বা কলকারখানার ফলে তৈরি হওয়া যেসব অপ্রয়োজনীয় ও বাতিল জিনিসপত্র ডাস্টবিনে বা অন্যত্র ফেলে দেওয়া হয়, তাদের বর্জ্য পদার্থ বলে। যেমন— সবজির খোসা, ছেঁড়া কাগজ, প্লাস্টিকের বোতল, ভাঙা কাঁচ ইত্যাদি। এর মধ্যে কিছু বর্জ্য মাটিতে পচে মিশে যায় (জৈব ভঙ্গুর) এবং কিছু কখনোই পচে না (জৈব অভঙ্গুর)।
👉 চতুর্থ শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার জন্য পরিবেশ বিজ্ঞান সাজেশন part 2 এর জন্য এখানে ক্লিক করুন!
👉 চতুর্থ শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞানের আরো বিভিন্ন প্রশ্ন-উত্তর এবং কুইজের জন্য এখানে ক্লিক করুন!

